ফেসবুক থেকে আয় করুন দৈনিক ২৪০০০ টাকা গোপন ফর্মুলা


সত্যি বলছি
না পড়লে মিস করবেন ১০0%
ফেসবুক জগত থেকে আয় করার জন্য দেখাবো নতুন
পথ । সত্যি বলতে কি, আপনি কিছু না জানলে ও, কিছু না
বুঝলে ও আজ থেকে আপনি ও টাকা আয় করতে
পারবেন যদি জীবনে শিখার আগ্রহ থাকে , করার আগ্রহ
থাকে , নিজেকে পরাবতর্ন করার ইচচা থাকে । এই
পৃথিবীতে কেউ কাউকে টাকা কামানোর জন্য সাহায্য
করে না এমনকি আপনার frend ও যা করতে হবে তা
আপনাকে নিজেই করতে হবে এটাই বাস্তবতা । আমার
কথার সাথে নিজেকে মিলেয়ে নিন । বুজবেন না
জীবনটা কি , কার আশায় আপনি দাড়িয়ে থাকবেন, আয় করার
জন্য কোন পথে যাবেন, জীবনের উদেদশ্য টা কি
। অনার্স, মার্সটার্স লেখাপড়া শেষ করার পর চাকরি যখন
সোনার হরিন হয়ে যায় , যখন টাকা আয় করার জন্য আপনি
পাগল হয়ে উঠেন , চাকরি পাওয়ার জন্য মামা চাচার হাত থাকে
না। তখন বোঝা যায় বেকার অবসথায় থাকা কত যে কষট ,
সমবয়সী মধ্য নিজের মান - সমমর্যাদা ও পরিবারের চাপ
আপনাকে দিশেহারা করে তুলবে । আপনি যদি লেখাপড়া
জানা বেকার হোন, আপনার অবসথান কোথায় জানেন ,
একটু ভেবে দেখুন ১, দেশের মধ্য অভিশাপ ২,
সমাজের মধ্য পাপ ৩, নিজের পরিবার বা কাছের মানুষের
কাছে ভালবাসার অভাব । তাই আপনার পকেট যদি বড় থাকে
সবাই আপনার পিছনে ছুটবে । আরে ভাই, পৃথিবীর মধ্য
টাকার বিকলপ কিছু নেই , টাকাই সব। আমার কথা হল , আমি
কর্মে বিশাসী, কর্ম মানে টাকা , টাকা মানে অর্নাস,
মাসর্টাস ও PHD । আমি লেখাপড়া করি বিদ্যার জন্য , আর
বিদ্যা অর্জন করি বুদিদর জন্য । আর বুদিদ টা টাকা আয়ের
জন্য । আমি কোন বকতা বা পলিটেশিয়ান নই, তাই মিটা কথা
আমার মুখে আসে না। আমি জনপ্রিয়তা জন্য কাজ করি না ,
কাজ করার জন্য আমি জনপ্রিয় হয় । আমি বিশাসের
অনধভকত নই, বিশাস আমার অনধভকত । দৃষ্টিভঈি বদলান
জীবন বদলে যাবে । সোনার পরিচয় লোহায় ঘষিলে
আর বনধুতের পরিচয় বিপদে পড়িলে । সব
সহযোগীতার জন্য কাছে থাকব আমি। তাই ব্যর্থতার
মাঝে সুপত রয়েছে সাফল্যর বীজ , প্রান ছাড়া দেহ
যেমন মৃত, তেমনি কর্ম বিহীন বিশাস ও মৃত । অতীত
তোমাকে কষট দিবে , ভবিষ্যাত। তোমাকে আশা
দেখাবে, বর্তমান সবসময় তোমার পাশে থাকবে ।
কারন মানুষ যা ভাবতে পারে , যা বিশাস করতে পারে , তা
অর্জন ও করতে পারে । আপনার যদি টাকা থাকে , আপনার
বনধু বানধবের , আতর্ীয় সজনের অভাব হবে না । টাকা
নাই কেউ আপনাকে দাম দিয়ে কথা বলবে না । সত্য
বলতে কি, কয়েক বছর আগে ও আমি বুঝতাম না অনলাইন
বা ইনটারনেটের মাধ্যমে কিভাবে টাকা আয় করা যায়,
এখানে কত ধরনের পথ আছে , আমি কাজ করলে টাকাটা
কিভাবে পাব । জানার আগ্রহ আমার সবসময় বেশী তাই
প্রতিদিন ইনটারনেটে সার্চ করে অনেক website সাথে
পরিচিত হই। যা একটা ছেলেকে শূন্য থেকে মহাশূন্য
নিতে পারবে । প্রয়োজন শুধু আপনার দৃটতা প্রত্যয়
আতর্বিশাস। ইনটারনেটের চাকরি অভাব নেই , আছে শুধু
কাজ জানা লোকের অভাব । নিজের মেধাশকতিকে
কাজে লাগান, চিনতা শকতির প্রসার ঘটান, অনলাইন জগতের
সাথে পরিচিত হোন । চাকরির পিছনে আর ছুটতে হবে না
, চাকরি আপনার পিছনে ছুটবে । যেখানে অনলাইন বা
ইনটারনেট কোন কিছু শিখতে গেলে ১০,০০০ বা ১৫০০০
টাকা ছাড়া কোন কোর্স শিখা সমভব নয়। আবার কোর্স
করার পর ও অনেকে সটিক দিক নির্দেশনার অভাবে
অনলাইণ থেকে আয় করার জগত থেকে ছিটকে পড়ে
। আপনি ব্যবসা বা চাকরিতে হাজার হাজার টাকা নষট করে
যেটা করতে পারেন নাই । কথা দিচ্ছি , " ফেসবুক
থেকে আয় দৈনিক ২৪০০০ টাকা " এই বইটা পড়ে আপনার
জীবন পালটে যাবে , দেখাবে নতুন পথ , পরিচিত হতে
পারবেন ইনটারনেটের সব কাজের সাথে , জানতে
পারবেন কিভাবে কাজ করতে হয়। কোথায় কাজ পাওয়া
যাবে । ইনটারনেট বা অনলাইণ থেকে আয় খুব জনপ্রিয়
একটা মাধ্যম । সব দেশের মত বাংলাদেশের অনেক
school & college ছেলে মেয়েরা অনলাইণে
ফ্রীল্যানসার বা মুকত পেশাজীবি হয়ে সাধীনভাবে
কাজ করে যা বাংলাদেশের কোন উচচ পর্যায়ের চাকরি
জীবির চেয়ে ও বেশী বেতন পড়ে । তাই মানুষ
একঘুয়েমী চাকরি পরিহার করে অনলাইনে চাকরি পিছনে
ঝুকে পড়ছে। তাছাড়া নিজের ওয়েবসাইট। বা বলগের
মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে দৈনিক ৩০০ ডলার বা
২৪০০০ টাকা চেয়ে বেশী আয় করা যাই। দীর্ঘ ২ বছর
যাবত নিজের পরিশ্রম, সততা, ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে,
অনেক গবেষনা ও সব ভাল ভাল ওয়েবসাইটের থেকে
কথাগুলো সংগ্রহ করে নতুনদের জন্য গাইডলাইন
হিসেবে ব্যবহার করেছি এবং ঐ ওয়েবসাইট গুলোর লিংক
দেওয়া আছে। সহজেই যে কেউ এখানে দেওয়া
website গুলোর মধ্য visit করতে পারবে । ৪৫০ পৃষ্টার
এই বইটির মধ্য আপনি ৪৫০ টা প্রশনের উওর খুজে
পাবেন । এই বইটি পড়ে আপনাকে আর পিছে তাকাতে
হবে না। অনলাইণ জগতে আপনি ও হতে পারেন একজন
সাফল্যকারি । আজ থেকে ঘরে বসে আয় আপনি ও
করতে পারবেন ।
এই ই- বুক টি পড়ে আপনি জানতে পারবেন
1. অনলাইন জগতের ১ হাজার পথ সমর্পকে জানতে
পারবেন
2. বিভিনন website বা blog মাধ্যমে পরিচিত হতে পারবেন
3. কিভাবে টাকা পাওয়ার জন্য payza or alertpay , paypal ,
skrill ব্যাংক একাউনট খুলবেন
4. কিভাবে টাকা বাংলাদেশে পাব
5. বইটা পড়ে আপনি GMail, google, youtube., Zeekler,
donkeymails, twiter, fliker, google plus, slideshare,
আরো অনেক id খুলতে পারবেন
6. affiliate marketing করে কিভাবে দৈনিক $300 doller বা
24000 টাকা চেয়ে বেশী আয় করা যায়
7. কত ধরনের মার্কেট আছে
8. কিকাজ শিখলে অনলাইনে নিজেকে যোগ্য মনে
করতে পারবেন
9. কয়টা মার্কেটপেলেসে চাকরি পাওয়া যায়
10. শুধু click করে টাকা আয় করা যায় এইরকম ১২ টা সাইটের
সাথে পরিচিত হতে পারবেন
11. কিভাবে শুধু download করে টাকা আয় করা যায় তা
জেনে নিন
12. শুধু file share করে daily 200 doller income
করোন
সি পি এ (CPA) ইভেন্টের আলোচ্য বিষয় সমূহ:
#. সি পি এ (CPA) কি?
#. ফ্রিল্যান্সিং এব সি পি এ (CPA) এর মধ্যে
পার্থক্য কি?
#. এফিলিয়েট মার্কেটিং এবং সিপিএ (CPA)
মার্কেটিং এর মধ্যে পার্থক্য কি
#. সি পি এ (CPA) থেকে মাসে কত টাকা
ইনকাম করা যাবে?
#. সি পি এ (CPA) মার্কেট থেকে পেমেন্ট
কিভাবে পাওয়া যায়?
#. সি পি এ (CPA) শিখার জন্য কি ধরনের
যোগ্যতা থাকতে হবে?
#. সি পি এ (CPA) কি কি ধরনের কাজ করতে হয়?
#. সি পি এ (CPA) কাজ করার জন কি কি দরকার
হয়?
#. সি পি এ (CPA) কাজ করতে গেলে কি কি
বিষয় জানতে হয়?
# সবচেয়ে ভাল সি পি এ (CPA) নেটওয়ার্ক
কিভাবে খুজে বের করবেন?
# কিভাবে সি পি এ (CPA) মার্কেটপ্লেসে
আপনার একাউন্ট এপ্রুভ করবেন?
# সি পি এ (CPA) মার্কেটপ্লেসে ডোমেইন
এবং হোষ্টিং কিভাবে ব্যবহার করবেন?
# ওয়ার্ডপেস সেটাপ এবং থিম নির্বচন
# ওয়ার্ডপেস ডেকোরেশন কিভাবে করবেন?
# সি পি এ (CPA) এপ্লিকেশন কিভাবে করবেন?
# মিলিয়ন ডলার অফার বিস্তারিত
# অফারভল্ট কি?
# অফারভল্ট থেকে কিভাবে ভাল অফার খুছে
বের করবেন?
# লিষ্ট সি পি এ মার্কেটপ্লেস এর বিস্তারিত
# Maxbounty CPA Marketplace বিস্তারিত ?
# CPA lead CPA Marketplace বিস্তারিত?
# Traffic Method
# Facebook PPC
এখণ
অনলাইন আর্য়ের ০৫ টি বিষয় নিয়ে আলোচনা
করব। নিচে ধাপে ধাপে বর্ননা করা হল।
1. Cost Per Click (CPC)
CPC মানে হল আপনি আপনার ব্লগ, ফোরাম,
ওয়েবসাইট, এপস ইত্যাদি সাইটে কিছু এড
কোম্পানীর এড সো করবে এবং যারাই এই
এডগুলোতে ক্লিক করবে দেশ, সময় এবং ইউজার
বুঝে আপনাকে কিছু অংশ আপনাকে পে করবে।
এটাই সিপিসি এর আয়ের মাধ্যম। নিচে কতগুলে
CPC সাইটের নাম দেওয়া হল যা এখন সবচেয়ে
ভাল সাইট আয় করার জন্য।
Google Adsense
Media.Net
Chitika
Clicksor
InfoLinks
Kontera
Bidvertiser
2. Cost Per Mile (CPM)
CPM হল আর একটি এড এর মাধ্যমে টাকা আয় করার
উপায়। যা সাধারনত পেইজ ভিউ এর উপর ভিত্তি
করে আপনাকে পে করবে। এটাও অনেকটা
সিপিসি সাইটের মত। আপনার ওয়েব সাইট বা
ব্লগ সাইটের প্রতিদিনের পেইজ ভিউ যদি ১০০০
এর উপরে হয় তাহলে এই সাইটগুলো থেকে আয়
করতে পারবেন। নিচে কিছু সাইট এর ঠিকানা
দেওয়া হল।
Tribalfusion
BrustMedia
BuysellAds
Valueclickmedia
VibrantMedia
Adpepper
Cpxinteractive
MadadsMedia
3. Sell Affiliates Products
এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন সোস্যাল সাইট, ব্লগ,
ফোরাম, ব্যক্তিগত সাইটে বিভিন্ন পণ্যের এড
সো করে আয় করতে পারেন। আপনার সাইট থেকে
যদি কেউ কোন পণ্য কিনে তাহলে এর একটা
অংশ আপনাকে পে করবে। নিচে এই রকম কিছু
সাইটের ঠিকানা দেওয়া হল।
Google Affiliates
ClickBank
Commission Junction
E-junkie
Amazon Affiliates
eBay Affiliates
DigiResult
FreeLancer
4. Earn From Uploading
আপনি কিছু সাইটের মাধ্যমে ফাইল,
সফটওয়্যার,ছবি, এন্টিভাইরাস ইত্যাদি আপলোড
করে আয় করতে পারেন। আপনার আপলোড করা
ফাইল যত বেশি ডাউনলোড হবে আপনার আয়ও তত
বেশী বাড়বে। নিচে কিছু সাইটের ঠিকানা
দেওয়া হল।
1. ShareCash.org
2. CashFile.org
3. Uploadables
5. Write For Other Sites
আপনি কিছু সাইটের বিভিন্ন বিষয়ে ব্লগ লিখে
আয় করতে পারেন। এই সব সাইটে বিভিন্ন
ক্যাটাগরির উপর লিখে এই সব সাইট থেকে আয়
করতে পারেন।
1. PayPerPost
2. Social Spark
3. Sponsored Review
4. RevewMe
5. Payu2Blog
6. Hubpages.com
অনলাইনে ইনকামের 10টি সেরা টিপস
তুমি কি বাংলাদেশে থাকো? তুমি কি অনলাইনে আয়
রোজগারের সঠিক উপায় খুঁজছো? তাহলে, আমার এই
নিবন্ধটি পড়ো। এটি তোমার জন্য একটা সহায়ক হিসেবে
কাজ করবে কারণ, অনলাইনে যে কিভাবে ঘরে বসে
অনেকভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়, তা এই নিবন্ধ পড়লে
তুমি জানতে পারবে । আমি তোমাকে বলে রাখতে চাই
যে, অনলাইনে আয় করা বাস্তব জীবনে আয় করার
মতোই কঠিন। এখানে এমন কিছু রাস্তা আছে
যেগুলোতে কাজ শুরু করা সহজ কিন্তু, এগুলো
থেকে বেশী টাকা রোজগার করা যায় না । এ তুলনায়
অন্যান্য উপার্জনের পন্থায় ভালো আয়ও হয় আবার, তা
ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকে । বাংলাদেশ থেকে অনলাইন
আয় রোজগারের উপায়গুলো নিম্নরুপ,
১।পেড রিভিউ-এর মাধ্যমে আয় রোজগার
সার্ভে বা জরিপ একটা পুরাতন পদ্ধতি আর আমার মনে হয়
তুমি এ বিষয়ে জানো। “সার্ভে” সাইটে তুমি গিয়ে
নিবন্ধিত হবে আর সার্ভে বা জরিপ আসার অপক্ষা করবে;
সার্ভে ফর্ম পূরণ করে তোমার মতামত জানাবে, ব্যস!
প্রতিটি সার্ভের জন্যে তুমি টাকা পাবে। এখানে, এমন কিছু
ব্যবস্থাও আছে যেখানে, ইমেইল পড়ার ও জবাব
দেওয়ারও কাজ থাকে। সার্ভে সাইট হিসেবে অন্যতম
জনপ্রিয় সাইট হচ্ছে-সার্ভে সেভী।
২।নিবন্ধ লিখে আয় রোজগার
এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলো
পাঠকদের লেখায় আপডেট হতে থাকে। কোন
কোন সাইটে তারা লেখকদের সাথে মুনাফা ভাগ করে
নেয়। তুমি এখানে বিভিন্ন নিবন্ধ লিখতে পারো আর
তোমার আর্টিকেল বা নিবন্ধ যতো বেশি পাঠক
পড়বে, তুমি ততো বেশি টাকা পাবে। “শুভং” নামক একটা
ওয়েবসাইট আছে যারা তাদের লেখকদের সাথে
শতকরা ১০ ভাগ গুগল এডসেন্স-এর লভ্যাংশও ভাগ করে
নেয়।
৩।পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এ আয় রোজগার
পিটিসি বা পেড-টু-ক্লিক এর সাহায্যে তুমি ওয়েবসাইট
(শুধুমাত্র স্পনসরড্ সাইটগুলো)ব্রাউজ করার জন্যে টাকা
পাবে। এতে আরো উপায় আছে যাতে ওয়েবসাইট
সার্ফ করে, ওয়েবসাইট দেখে আর ওয়েবসাইট সার্চ
করে টাকা উপার্জন। সত্যকথা বলতে কি, এই সাইটগলো
আয়ের তুলনায় অনেক বেশী সময় অপচয় করে। এরা
তোমার একেক ইউনিট এডের পেছনে তোমার
ব্যয়ের তুলনায় খুবই কম টাকা দেয়। একটা জনপ্রিয় পিটিসি
সাইট যারা ভালো অর্থ প্রদানও করে থাকে সেটি হচ্ছে-
বাকস্.টু
৪।তোমার তোলা ছবির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন
যদি তুমি একজন ফটোগ্রাফার বা চিত্রগ্রাহক হয়ে থাকো,
তবে তোমার তোলা আকর্ষনীয় ছবিগুলো
অনলাইনে বিক্রি করতে পারো। অনলাইনের ডিজাইনার্রা
তাদের প্রজেক্টের জন্যে অনেক ছবি খুঁজে
থাকেন, তুমি তাদের নিকট তোমার ছবিগুলো বিক্রি
করতে পারো। তুমি তোমার ছবিগুলো আই-স্টক-
ফটোস্ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রিও করতে
পারো।
৫।গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় রোজগার
গুগল এডসেন্সে আয় করার জন্যে তোমার একটা সচল
ওয়েবসাইট অথবা ব্লগ প্রয়োজন। তুমি নিশ্চয়ই
দেখেছো এমন বিলবোর্ড বা পোস্টার যেখানে
তারা(জনৈক অসাধু ব্যবসায়ীরা) দাবি করে যে, তুমি এখান ১০
থেকে ২০ ডলার দৈনিক আয় করতে পারবে- এটা সম্পূর্ণ
মিথ্যা কথা! গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম হয় তখন যখন,
কেউ গুগলের সেসব এডে ক্লিক করে। কিন্তু,
এখানে ইনকাম করার পূর্বে তোমাকে একটা তথ্যসমৃদ্ধ
ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে হবে। কিন্তু, তোমাকে
সেসব নকল এডসেন্স শেখার জায়গায় এই সেখানো
হয় যে, কিভাবে চুরির লেখা দিয়ে একটা নকল ওয়েবসাইট
বানাতে হয়, এটাতো আসল নয় কারণ এটা একটা ধোঁকাবাজি।
google.com/adsense
৬।তোমার মতামত প্রকাশের জন্যে টাকা পাবে
হ্যাঁ, এটিই নতুন দিনের আয় রোজগার মাধ্যম, এখন তুমি টাকা
নিয়ে যেকোন ওয়েবসাইট বা কোম্পানীর ব্যাপারে
তোমার মতামত দিয়ে একটা নিবন্ধ লিখে ফেলো
তোমার ব্লগে। পেড রিভিউ সাইটগুলো কল্যাণে, এখন
তারা(কোম্পানী বা ওয়েবসাইটগুলো) তোমাকে
তাদের ব্র্যান্ড, পন্য বা ওয়েবসাইটের বিষয়ে লেখার
জন্যে অর্থ পরিশোধ করবে। তোমার এই মতামত বা
ব্লগ তাদের নিয়ে বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করবে আর
তারা পাবে অধিক পাঠক ও ক্রেতা। এরকম একটা জনপ্রিয়
পেড্ রিভিউ সাইট হচ্ছে-সোস্যালস্পার্ক
৭।এফাইলিয়েট মার্কেটিং-এর মাধ্যমে আয়
রোজগার(সেবামূলক গোষ্ঠীর সাহায্য করা)
এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে তুমি তোমার ওয়েবসাইটে
কোন পন্যের প্রচার করবে আর যখন পন্য বিক্রি
হবে, তখন তুমি এর থেকে কমিশন পাবে। এখানে
অনেক আধুনিক আর ভালো পন্য আছে যেগুলো
বিক্রি করা যায় আর মানুষ কিনতেও আগ্রহী; তুমি একজন
এফাইলিয়েট হয়েও কাজ করতে পারো। তুমি “ক্লিক
ব্যাংক”-এর মাধ্যমে একজন এফাইলিয়েট হয়ে পন্য বিক্রয়
করতে পারো ।
৮।ব্যানার এডস্ বা “ব্যানার” জাতীয় বিজ্ঞাপন বিক্রি
করে আয় রোজগার
যদি তোমার একটা প্রতিষ্ঠিত ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকে,
তবে বিজ্ঞাপনদাতারা তোমার ব্লগে তাদের বিজ্ঞাপন
দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। একেই বলে, ব্যানার এডস্
অথবা সরাসরি ইনকামের সুযোগ। তোমার
ওয়েবসাইটের জনপ্রিয়তা যতো বেশি হবে তোমার
পাঠক সংখ্যা বাড়বে ততো বেশি হবে আর তোমার
আয়ও বাড়তে থাকবে ।
৯।ফ্রি-লেন্সিং বা অস্থায়ী কর্মী হিসেবে
অর্থ উপার্জন
ঘরে বসে ফ্রি-লেন্সিং করা আয় রোজগারের একটা
চমৎকার সুযোগ। তোমার যদি ডাটা এন্ট্রি, গ্রাফিক্স ডিজাইন
অথবা এড্মিনিস্ট্রেশন বা তদারকির কাজে দক্ষতা থাকে
তাহলে, তুমি অনলাইনে এসব কাজ করে আয় রোজগার
করতে পারো। তুমি চাইলে ফ্রিলেন্সিংভিত্তিক একটা
ক্যারিয়ার ই গড়ে তুলতে পারো।
১০।টুইটার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আয় করা
বিজ্ঞাপনদাতাগণ বর্তমানে তাদের ক্যাম্পেইন বা বিজ্ঞাপন
উদ্যোগগুলো “টুইটার” বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে
দিতে চাচ্ছেন। এজন্যে, তোমার কোন ব্লগ কিংবা
ওয়েবসাইট থাকারও প্রয়োজন নেই। এমন অনেক
কোম্পানী রয়েছে, যারা টুইটার বিজ্ঞাপনের কাজ
করে থাকে যেমন- মেগ-এ-পাই ।
অনলাইনে আয়ের টাকা বাংলাদেশে কিভাবে
পাবেন?
ক।চেকে টাকা পাওয়া
এটা একটা ব্যাংকের চেক যেটি তুমি যেকোন ব্যাংক
থেকেই উত্তোলন করতে পারবে। এডসেন্স ও
অন্যন্য সাইট এরকম চেকে টাকা পাঠিয়ে থাকে। এটা
বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সাধারণ ও জনপ্রিয়
মাধ্যম।
খ।পেপেল-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া
পেপেল টাকা পাওয়ার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম, যেটি
তোমাকে অনলাইনে টাকা পেতে সাহায্য করবে।
অবশ্য, এখনও পেপেল বাংলাদেশে আসেনি কিন্তু
শীঘ্রই আসবে।
গ।পেওনিয়ার প্রিপেইড ডেবিট মাস্টারকার্ড
এটা বাংলাদেশে অনলাইনের টাকা পাওয়ার জন্যে নতুন একটা
রাস্তা। তুমি অডেস্ক থেকে মাস্টারকার্ড পেয়ে সেই
কার্ড থেকে টাকা উঠাতে পারো। পড়ে নাও-
বাংলাদেশে অডেস্ক পেওনিয়ার প্রিপেড ডেবিট
কার্ডের মাধ্যমে অর্থ প্রাপ্তি ।
ঘ।মানিবুকারস্ থেকে টাকা প্রাপ্তি
মানিবুকারস্ অনেকটা পেপেলের মতোই আর এটা
তোমার ব্যাংক একাউন্টের মতনও। বাংলাদেশে এটা
প্রচলিত আছে। মানিবুকারস্
ঙ।এলার্টপে-এর মাধ্যমে টাকা পাওয়া
এটিও পেপেলের মতোই আর বাংলাদেশে প্রচলিত
আছে। তুমি এর টাকা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন থেকে উঠাতে
পারো। এলার্টপে
চ।ই-গোল্ড ব্যবহার টাকা প্রাপ্তি
পেপেলের মতোই…ই-গোল্ড
আমি অনলাইনে কত টাকা আয় করতে পারবো?
এটা তোমার পরিশ্রম, দক্ষতা আর পদ্ধতির উপর নির্ভর
করবে, তুমি চাইলে ৫০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা প্রতি
মাসে আয় করতে পারবে। আয় সম্পূর্ণ নির্ভর করে
তোমার বিশ্বস্ততা ও পরিশ্রমের উপর। এখন, তুমি
চাইলে ১৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা বা উপরে ৫০,০০০
প্রতি মাসে উপার্জন করতে পারো। আমার একটা পরামর্শ
নিতে পারো, এখানে সত্যিই অনেক টাকা বানানো যায়
আর এটা কোন ফাজলামো নয়, তুমি যাই করো গম্ভীর
হয়ে করবে আর কঠোর পরিশ্রম করবে। কখনো
চুরি, ধোঁকাবাজি করবে না আর তোমার কাজের প্রতি সৎ
থাকার চেষ্টা করবে ।

কিভাবে ফেসবুক থেকে টাকা উপার্জন
করা যায়।।।
অনেক জায়গা আছে যেখান থেকে আপনি টাকা
উপার্জন করতে পারেন। আমি এখানে সবচেয়ে ভাল
এবং সহজ পদ্ধতি শেয়ার করছি। এটা ফেসবুক থেকে টাকা
উপার্জন।
১- ফেসবুক পেজ থেকে টাকা উপার্জন করুনঃ-
টাকা উপার্জনে ফেসবুক একটা ভাল রাস্তা। একটা ফেসবুক
পেজ খুলে এটা ব্লগিং এর মত করে ফেলা। আপনাকে
আপনার পেজটাকে বিখ্যাত করতে হবে। আপনি যদি
আপনার পেজটাকে বিখ্যাত করতে না পারেন তাহলে
আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন না। ব্যবসায় এর জন্য
জনপ্রিয়তা যেমনি গুরুত্বপূর্ণ, এখানেও একই অবস্থা।
এখানে জনপ্রিয়তা মানে অনেক লাইক এবং অনেক আসল
লাইক।
আপনার পেজ তৈরি করুন, বিখ্যাত করুন, অনেক মানুষ আনুন,
অনেক লাইক পান এবং তারপর এই পদ্ধতিটা মেনে চলুন
যেটা আমি এই পোস্ট এ বলব।
=> লাইক বিক্রি করুনঃ-
যদি আপনার পেজ এ অনেক আসল লাইক থাকে তাহলে
মানুষ আপনি যেই কথা বলবেন সেটা বিশ্বাস করবে।
যেটা আমি বলতে চাচ্ছি সেটা হল, কিছু মানুষ আছে
যাদের পেজ এ লাইক লাগবে। সুতরাং আপনি আপনার
পেজএ তার পেজ এর বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। একটি
উদাহরন দেয়া হল। “ হ্যালো সবাই, আমি মোবাইল সার্ভিসিং
এর উপর ভাল একটা পেজ পেলাম। বিস্তারিত জানার জন্য
আপনারা এই পেজ এ লাইক দিতে পারেন। যেহেতু
আপনার পেজ এর উপর মানুষের বিশ্বাস আছে,
সেহেতু ঐ পেজ এ অনেক মানুষ ভিজিট করবে এবং
লাইক দিবে। আপনি ঐ পেজ এর মালিকের সাথে প্রতি
১০০০ লাইক এর জন্য নির্দিষ্ট একটা টাকা চাইতে পারেন।
এভাবেই আপনি আপনার ফেসবুক পেজ দিয়ে টাকা ইনকাম
করতে পারেন।
=> affilate হয়ে জানঃ-
আপনার যদি কিছু ব্লগ এবং ওয়েবসাইট থাকে তাহলে
Affilate টাকা উপার্জন এর একটা ভাল উপায়। যদি শুধু ফেসবুক
অ্যাকাউন্ট ও থাকে তাহলেও আপনি টাকা উপার্জন করতে
পারেন।
অনলাইনে অনেক বিজনেস আছে যেখানে আপনি
তাদের affiliates হয়ে যেতে পারেন। এটা সম্পর্কে
গুগল এ খুজলেই পাবেন। যেকোনো ধরনের
অনলাইন বিজনেস এ affiliate হয়ে যাওয়া ফ্রী। এটা এক
ধরনের বিজ্ঞাপন কিন্তু আপনি জানেন যে আপনি ঐ
পণ্যতে কিছু ছাড় পাবেন। আমরা ধারনা করলাম যে আপনার
একটা মোবাইল এর বিভিন্ন সমাধান এবং নতুন মোবাইল এর
তথ্য এর একটি পেজ আছে। তাহলে আপনি অনলাইনের
যেকোনো মোবাইলের বিজনেস এর সাথে
affilate করতে পারেন। affiliate হাওয়ার পরে, আপনি
আপনার লিঙ্ক টি আপনার ফ্যানদের কাছে দিন যারা আপনার
পেজ টি লাইক করেছে। যদি সম্ভব হয় তাহলে কিছু ছাড়
দিন যেন তারা আপনার লিঙ্ক থেকে পণ্য টা ক্রয় করে।
আপনি কুপন কোড এর মাধ্যমে ছাড় দিতে পারেন।
=> আপনার পেজ বিক্রয় করুনঃ-
আপনার পেজটি যথেষ্ট বিখ্যাত করুন এবং বিক্রয় করুনঃ)।
আমি মজা করতেছি? না। অনেক মানুষ আছে যারা
ফেসবুক পেজ চায়, এবং তাদের এর জন্য একটা গ্রুপ ও
আছে। তাদের কাছে আপনার পেজ বিক্রয় করুন। আপনি
যদি আপনার পেজটি পুরোপুরি বিক্রি করতে না চান, তাহলে
আপনার পেজ এর আরেকজন এডমিন বানিয়ে নিন।
এখানে সামান্য কিছু কথা আপনাদের জন্য তুলে ধরেছি । এইরকম শত শত প্রশনের উওর আমার "" ফেইজবুক থেকে আয় দৈনিক ২৪০০০ টাকা "" এই বইটিতে পাওয়া যাবে । কথা দিচ্ছে বইটি পড়ার সাথে সাথে আপনি কাজে লেগে যেতে পারবেন । যেহেতু এই বইয়ের সব কথাগুলো বিভিনন website থেকে সংগৃহিত এবং বাসতব সমমত যা অনলাইন জগত থেকে আয় করার জন্য আপনাকে সটিক দিক নির্দেশনা দেখাবে । প্রয়োজনে এখানে দেওয়া website গুলোর মধ্য আরো নতুন কিছু জানার জন্য ভিজিট করতে পারবেন

কিভাবে ই- বুক টি কিনবেন
নতুনদের কথা মাথায় রেখে বইটির দাম ৫০০ টাকা রাখা হয়েছে তবে কিছুদিনের মধ্য এটা ১৫০০ টাকা করার সিদধানত করা হয়েছে । তাই সময় থাকতে এখনোই অর্ডার করোন । যদি ঘরে বসে অনলাইন জগত থেকে আয় করার ইচচা থাকে ।
১ম ধাপ
বইটি কেনার আগে প্রথমে নিচের দেওয়া নামবারে ফোন করোন
01871--131716

2য় ধাপ
নিচের দেওয়া বিকাশ নামবারে টাকা পাটান
01847-148566
না পড়লে মিস করবেন
আর একদিন মিস করা মানে
একদিন পিছনে যাওয়া
তাই এখনোই কাজে নেমে যান

আপনাদের জন্য আরো কিছু তথ্য দিলাম
(০১) E-Commerce সাইট খুলার ক্ষেত্রে
বাংলাদেশ সরকারের কি নির্দিষ্ট
কোনো নীতিমালা আছে? থাকলে
সেগুলো কি কি এবং কিভাবে, কোথায়
সেগুলো জানা যাবে?
উত্তর: না এখন পর্ন্ত এমন কিছূ নেই।দেশের
প্রচলিত ব্যবসায়ের অন্যান্য
নীতিমালাগুলো মেনে চললে চলবে।
(০২) E-Commerce সাইট চালু করার পূর্বে
অর্থাৎ, Website চালু করার পূর্বে সরকারী
কিংবা বেসরকারী কোন প্রতিষ্ঠানে
সরাসরি কিংবা Online এ কোন প্রকার Entry
অথবা Registration করতে হবে?
উত্তর: ব্যবসা করার জন্য ট্রেড লা্েসেন্স
নিতে হবে। পরবর্ীতে টিন ও ভ্যাট রেজি.
দরকার হবে। কোম্পানী হিসেবে ব্যবসা
শুরু করলে কোম্পানী রেজি নিতে হবে।
কোন ব্রান্ড দাড় করাতে ট্রেডমার্ রেজি.
করতে হবে।
(০৩) সাধারণত যেকোন ব্যবসা
প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে Trade License, VAT ও
TIN প্রয়োজন হয়, E-Commerce Business এর
ক্ষেত্রেও কি Trade License, VAT ও TIN
লাগবে? যদি লাগে তবে কি সেটা Domain
Name এবং Hosting নেওয়ার পূর্বেই করতে
হবে? নাকি Domain Name এবং Hosting
নিয়ে Website তৈরি করার পরেও করা
যাবে?
উত্তর: লাগবে এটাই বড় কথা। আগে পরে
কোন সমস্যা নেই। তবে ডোমেইনটা আগে
নেয়াই ভালো, কারণ ট্রেড লাইসেন্স
করার যে সে নামে ডোমেইন পাচ্ছেন না
তখন একটু সমস্যাতো হবেই। প্রথমত সব
ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স বাধ্যতামূলক।
আজকাল টিআইনও লাগে। এক পর্যায়ে
ভ্যাট রেজিস্ট্রেশনও দরকার হয়ে পড়বে।
আর যদি কোম্পানী খুলতে হয় তাহলে
জেয়েন্ট স্ক এ রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
তবে বেসরকারী বিভন্ন সমিতির সদস্য
হবেন কিনা. সেটা আপনার নিজের
ব্যাপার তবে হলে কাজে লাগবে। তবে
আপনি অবশ্যই ই ক্যাবের সদস্য হবেন। কি
পরিমাণ উপকার পাবেন সেটা যারা সদস্য
আছে তাদের কাছে জেনে নিতে পারেন।
(০৪) E-Commerce Business এর ক্ষেত্রেও যদি
Trade License, VAT ও TIN লাগে তবে Trade
License, উত্তর: VAT ও TIN কোথায়, কখন,
কিভাবে করবো? এ বিষয়গুলো বিস্তারিত
জানা প্রয়োজন।
উত্তর: ট্রেডলাইসেন্স শহরে হলে সিটি
কর্রেশন, পৌরসভার হলে ষ গ্রামে হলে
ইউনিয়ন পরিষদ। VAT ও TIN এর ক্ষেত্রে
স্থানীয় আয়কর অফিস থেকে নিতে হবে।
(০৫) E-Commerce Business এর ক্ষেত্রে
নির্দিষ্ট অফিস এর ঠিকানা কি প্রয়োজন?
প্রাথমিক অবস্থায় আমি যদি আমার
বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে এ কার্যক্রম শুরু করি
তাহলে কি করা যাবে?
উত্তর: আপনার জন্য হয়তো অফিস জরুরী নয়
কিন্তু ঠিকানা জরুরী। হ্যাঁ আপনি আপনার
বাসার ঠিকানা ব্যবহার করতে পারেন।
(০৬) Trade License, VAT ও TIN এর ক্ষেত্রে
নির্দিষ্ট অফিস এর ঠিকানা কি প্রয়োজন?
প্রাথমিক অবস্থায় আমি যদি আমার
বাড়ির একটি ফ্ল্যাটে এ কার্যক্রম শুরু করি
তাহলে,এই ঠিকানাটাকে কিভাবে
ব্যবহার করবো কিংবা কিভাবে ব্যবহার
করলে ভালো হবে?
উত্তর: আপনার জন্য হয়তো অফিস জরুরী নয়
কিন্তু ঠিকানা জরুরী। হ্যাঁ আপনি আপনার
বাসার ঠিকানা ব্যবহার করতে পারেন।
আপনি আপনার ব্যবসায়ের ঠিকানা
হিসেবে বাসার ঠিকানাটা করবেন। এটা
যে আপনার বাসা সেটা বলে দেয়ার কোন
দরকার নেই।
(০৭) E-Commerce Business এর জন্য “নোটরী
পাবলিক” করতে হবে কি? যদি করতে হয়
সেটা কি ধরনের হতে হবে?
উত্তর: সাধারণত ব্যবসা শুরু করার জন্য এর
প্রয়োজন নেই। তবে পরে কোন কারণে
দরকার হতে পারে। তখন করে নিতে
পারবেন।
(০৮) এ ছাড়াও এমন কি কিছু করার আছে
যেটা না করার কারনে, বাংলাদেশ
সরকার কোন কারনে আমার E-Commerce
Business কিংবা আমার Website কে অবৈধ
ঘোষণা করতে পারে কিংবা আমার E-
Commerce Business বন্ধ করে দিতে পারে?
উত্তর: সরকারতো সবই করতে পারে। তবে
আপনি্ এমনকোন কাজ করবেন না যাতে
পরিস্থিতি তৈরী হয়।।
(০৯) আমাদের দেশের বিভিন্ন E-Commerce
সাইটগুলোতে আমরা বিভিন্ন ভালো
ভালো ব্রান্ডের Product দেখি। এ ক্ষেত্রে
সাইট কতৃপক্ষ কি সেই নির্দিষ্ট ব্রান্ডের
সাথে কোন ধরনের চুক্তি করে, নাকি
সরাসরি সেই ব্রান্ড থেকে Product গুলো
কিনে নিজেদের Store-এ রেখে দেয়?
উত্তর: এক একটি হাউস এক একভাবে কাজ
করে। কোন কোন হাউস আবার বিভিন্ন
অপশন বেছে নেয়। তারা কোনো ব্রান্ডের
সাথে চুক্তি করে। আবার কারো
প্রোডাকটস কিনে নেয়। আবার কাউকে
অর্ার দিয়ে নেয়।
(১০) যদি সাইটগুলো সরাসরি সেই ব্রান্ড
থেকে Product গুলো না কিনে কোন ধরনের
চুক্তি করে, তাহলে সেই চুক্তিটা কিভাবে
হয়? এ বিষয়টা সম্পর্কে অনেক বিস্তারিত
জানা প্রয়োজন।
উত্তর: তারা প্রথমে আলোচনা করে। যে
কে কোন শর্ পন্য নিতে অথবা দিতে
পারবে। তারপর একমত হলে চুক্তি করে।
আবার বড়ো কোম্পানীগুলো একটা নির্স্ট
পলিসি ঠিক করে রাখে।
প্রতিটি কর্পোরেট হাউসের নিজস্ব
পলিসি আছে। তারাই আপনাকে বলবে
তারা আপনার সাথে চুক্তি করবে কিন?
করলে কি কি শর্ত থাকবে।
(১১) কোন ব্রান্ডের Product বিক্রয়ের
ক্ষেত্রে কি সেই ব্রান্ডের নিজস্ব Price এর
চেয়ে বেশি Price দেওয়া কি ঠিক হবে?
উত্তর: না বেশী প্রা্েসি নেয়া ঠিক
হবেনা। তবে শিপিং চার্ এড করতে
পারেন। আর যদি বেশী নিতে হয় তাহলে
খুব অল্প।
(১২) অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কোন
নির্দিষ্ট ব্রান্ডের Product এর Price এর
চেয়ে E-Commerce সাইট গুলোতে Discount
দিয়ে দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে সেই
ব্রান্ডের একই Product তাদের Showroom এ
যে Price তা থেকে E-Commerce এ Price কম
হওয়াতে সেই ব্রান্ডের আপত্তি থাকার
কথা। এক্ষেত্রে কি সেই ব্রান্ডের সাথে
যোগাযোগ করতে হয়? অর্থাৎ, তারা
আপনাকে কম Price ধরে বলেই কি Discount
দেওয়া হয়? নাকি Marketing এর স্বার্থে
নিজে কম Profit করে Discount দেওয়া হয়
কিংবা Profit না করে ক্রয়মূল্যে বিক্রয়
করে দেওয়া হয়। এমনকি কখনো কখনো Loss
এ Discount দেওয়া হয় বলে শোনা যায়।
উত্তর: যারা ব্রান্ডের পন্যে কোম্পানীর
চেয়ে কম রেট দেয় তারা যদি েএজেন্ট
হয়ে থাকে তারা নিজেদের কমিশন থেকে
ছাড় দেয়। অথবা তারা পা্িকিারী
রেটে েকিনে সেখান থেকে কিছু কম নেয়।
তবে সতর্ থাকবেন এক্ষেত্রে কখনো নকল
পোডাক্টসও হতে পারে। আবার এমনও হতে
পারে ব্রান্ড এর পোষাক অনেকে অকশনে
বা ছাড় দেয়ার সময় কিনে নেয়। পরে সে
অফার শেষ হলে বা্রের ক্রেতারা বিক্রয়
করে থাকে।
(১৩) আমরা জানি, rokomari.com এ প্রায় এক
লক্ষ বইয়ের তালিকা আছে বিক্রয়ের জন্য।
এক্ষেত্রে কি rokomari.com বইগুলো
নিজেরা সরাসরি প্রকাশনি থেকে অগ্রিম
কিনে Store করে রেখেছে, নাকি Order এর
পরে সংগ্রহ করে Delivery দেয়। Order এর পরে
সংগ্রহ করে Delivery দিলে সেটা কি
প্রকাশনি থেকে সরাসরি সংগ্রহ করে
নাকি একটি নির্দিষ্ট Source/Media/Medium
থেকে সংগ্রহ করে?
(১৩) আমরা জানি, rokomari.com এ প্রায় এক
লক্ষ বইয়ের তালিকা আছে বিক্রয়ের জন্য।
এক্ষেত্রে কি rokomari.com বইগুলো
নিজেরা সরাসরি প্রকাশনি থেকে অগ্রিম
কিনে Store করে রেখেছে, নাকি Order এর
পরে সংগ্রহ করে Delivery দেয়। Order এর পরে
সংগ্রহ করে Delivery দিলে সেটা কি
প্রকাশনি থেকে সরাসরি সংগ্রহ করে
নাকি একটি নির্দিষ্ট Source/Media/Medium
থেকে সংগ্রহ করে?
উত্তর: সেটা রকমারীূ ভালো বলতে পারে।
তবে এক্ষেত্রে এখন আরো তিনটা
কোম্পানী বাজারে এসেছে। তারা মূলত
সব প্রকাশনা থেকে ক্যাটালগ এবং বইয়ের
প্রচ্ছদ এর ছবি সঙগ্রহ করেছে, এবং জেনে
নিয়েছে কোন বইটি এভেলেবেল আছে। আর
নতুন বইয়ের তারা খোজ কবর রাখে।
বাংলা বাজারে রকমারির িএকটা
কালেকশান সেন্টার আছে। অর্ার পেলে
তারা পন্য সংগ্রহ করে।
(১৪) এ ছাড়া Local Product ও ছোট ছোট
Product যেমনঃ ছোট ছোট যন্ত্র, Electronic
Device, ব্রেসলেট, মহিলাদের হালকা গয়না
টাইপ জিনিসগুলো কি অগ্রিম কিনে
নিজেদের Store এ রাখতে হয়? যদি অগ্রিম
কিনে নিজেদের Store এ না রাখতে হয়
তাহলে এই ধরনের Product এর ক্ষেত্রে Order
এর পরে সংগ্রহ করতে পারার নিশ্চয়তা
কি?
উত্তর: ছোটো খাটে চায়না প্রেডাক্টস,
খেলনা, গয়না এসব ক্ষেত্রে একটি কঠিন
বটে। খেুব সুন্দর ডিজাইন হলে চলবেই মনে
হলে অল্প কিছু স্টক করা যেতে পারে।
আবার স্টক না থাকলেও সমস্যা হয় দেখা
গেলো কাস্টমার ার্ডার করেছে। কিন্তু
তখন প্রোডক্টস টি মার্কেটে পাওয়া
যাচ্ছে না। পন্য বুঝে সিদ্ধান্ত নিন। কিছু
পন্যের ২/১ টা করে রাখুন। কিছু পন্যের
রাখার দরকার নে্।ি কয়েকমাস গেলে
আপনি বুঝতে পারবেন।
(১৫) সর্বোপরি Product সংগ্রহের ক্ষেত্রে
কোন কোন ধরনের Product অগ্রিম সংগ্রহ
করে রাখতে হয়? আর যেগুলো অগ্রিম
সংগ্রহ করে রাখতে হয় না এর পরে সেগুলো
পাবার নিশ্চয়তা কিভাবে পাওয়া যাবে?
কয়েকটা পথ আছে। যেপন্যগুলো আপনি স্টক
রাখেন না। সে পন্যের কয়েকজন
পা্েকিারের সাথে যোগাযোগ রাখুন।
অথবা ২/৩ জন সাপ্লায়ার কন্টাক্টে রাখুন
অথবা আপনার বাসার কাছের মার্টের
কয়েকজন দোকানদারের সাথে কথা বলে
রাখুন। আপনি ঠিক করে রাখুন অর্ার
পাওয়ার পর কার কাছ থেকে কিভাবে পন্য
নেবেন। এবং মাঝে মধ্যে তাদের সাথে
এমনি যোগাযোগ রাখতে পারেন।
E-Commerce Business শুরু করার পূর্বে এবং
পরে Product কে উপস্থাপন সংক্রান্ত
বিষয়গুলোঃ
(১৬) E-Commerce সাইট গুলোতে বিভিন্ন
Product এর যে ছবি Upload করা হয়, বিশেষ
করে পোশাকের ক্ষেত্রে সেই Product এর
ছবিগুলো কিভাবে সংগ্রহ করা হয়? Product
এর এই ছবিগুলো কি নিজেদের তৈরি করে
নিতে হয়? নাকি, ব্রান্ডের Product এর
ক্ষেত্রে সেই ব্রান্ডই ছবি সরবরাহ করে?
Local Product যেমন: Local Garments Product
(Example: Local T-Shirt, Polo T-Shirt) ইত্যাদি
ক্ষেত্রে বিষয়টা কি রকম এবং সেটা
কিভাবে করতে হয়?
উত্তর: যদি আপনার পক্ষে সম্ভব হয় তবে
আপনি নিজ্ িছবি তুলে দেবেন
সেটা্ িভালো । কারণ কপি করা ছবি
কাস্টমার আগ্রহ হারাতে পারে। আর
আপনি যদি ভালো ছবি তুলতে না পারেন।
সেক্ষেত্রে এডিট করে নিতে পারেন।তবে
ব্রান্ডের পোডাক্টস হলে আপনি তাদের
ছবিউ ব্যবহার করতে পারেন। যদি তাদের
কোন নিষোধাজ্ঞা না থাকে।
১৭) “অনেক সময় চায়না থেকে প্রোডাক্ট
কিনে, আমাদের দেশে সেল করে বিশেষ
করে এখন অনেকেই ই-কমার্সে এই সুযোগটা
বেশি দিচ্ছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন
হল,অনেক প্রোডাক্টে ওয়ারেন্টি/
গ্যারান্টি দেওয়া থাকে, তাহলে কিভাবে
ঐ প্রোডাক্টগুলো কাস্টমারএর কাছে
দিবে ? যদি দিয়েও থাকে, তাহলে কোন
সমস্যা হলে কিভাবে সমাধান করবে ! “
্উত্তর: একটু খেয়াল করুন। প্রোডাক্টস এর
গ্যারান্টি ওয়ারেন্টি কিন্তু আপনি
দিচ্ছেন না। দিচ্ছে প্রস্তুতকারী
প্রতিষ্ঠান। সূতরাং তারাই আপনারকে
জানাবে তারা বিষয়টি কিভাবে নিশ্চিত
করবে।।
সবচে বড়ো কথা আপনার নিজেকেই বুঝতে
হবে। কারা সঠিক পন্য ও সার্ভিস দেবে।
প্রতারিত হওয়ার আশংকা থাকলে সেসব
পন্য না কেনাই ভালো। মনে রাখবেন
আপনি ব্যবসা শুরু করছেন মাত্র সুনাম
দূর্ণাম আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ন বিষয়।
আপনি যেহেতু একজন ব্যবসায়ী। আপনি
গ্যারান্টি কার্ড ব্লাংক রাখবেন, যখন
কাস্টমার পন্য বুঝে মূল্য পরিশোধ করবে
তখন তার নামে আপনি সেটা দিয়ে
দেবেণ। যেমন আপনি যখন সিম্পনী এর
মোবাইল কেনেন তখন দোকানী কি করেন?
আর আপনি কাস্টমারকে বিষয়টা
খোলাখুলি জানিয়ে দিতে পারেন। যে
ওয়ারেন্টর বিষয়টা আপনার না সেটা
প্রস্ততকারকের।
(১৭) Product এর এই ছবিগুলো যদি নিজেদের
তৈরি করে নিতে হয় তাহলে ছবিগুলোতে
যে Model দেরকে ব্যবহার করা হয়,
Professional Photography করা হয় অর্থাৎ,
ছবিগুলো তৈরির সম্পূর্ণ ব্যাপারটা
কিভাবে Manage করা সম্ভব কিংবা কার
বা কাদের সাহায্য নিতে হবে?
অনেকভাবে করতে পারেন। পুরো ব্যাপরটা
আপনি কোন এডফার্ম দিয়ে দিতে পারেন।
তারা্ িমডেল থেকে শুরু করে লা্টি
ক্যামরা সব্ ি ঠিক করবে।
অথবা আবার আপনি নিজেও আলাদা
আলাদা ভাবে প্রফেশনাল ক্যামেরা
পার্ণ প্রফেশনাল মডেল কন্টাক্ট
করে িএবং ডিজা্নিার দিয়ে নিজ্ িসব
করিয়ে নিতে পারেন। যদি নিজে
কাজগুলো একা করতে পারেন। তাহলে তো
কথা্ ন্।ি
E-Commerce Business শুরু করার পরে Product
Delivery সংক্রান্ত বিষয়গুলোঃ
(১৮) কোন Order আসার পরে Product Delivery
এর ক্ষেত্রে যদি Product টি Dhaka তে
Delivery দিতে হয়, তবে কি সরাসরি
নিজেদের লোক দিয়ে Delivery দেওয়া
ভালো? নাকি এক্ষত্রে কোরিয়ার
সার্ভিস এর মতো কোন মাধ্যমকে ব্যাবহার
করা ভালো?
যদি আপনি খরচ কমাতে চান তাহলে
কুরিয়ার ভালো।
যদি আপনি সাথে সাথে টাকা রিসিভ
করতে চান তহালে নিজের লোক থাকা
ভালো।
যদি আপনি কাচাবাজার সেল করেন
তাহলেতো নিজর লোক লাগবে।
আপনি শহর এলাকায় সাভিৃস দিলে নিজের
লোক দিতে পারবেন। প্রত্যন্ত এলাকায়
সেটা তত সহজ হবেনা।
তাহলে বিষয়টা নির্র করছে আপনি কি পন্য
ডেলিভারী দেবেন। সে পন্য, এলাকা,
বাজেট এবং পদ্ধতির উপর নির্র করব।
(১৯) বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে
এবং Coustomer দের চাহিদা অনুযায়ী
Dhaka’র বাইরে কোন কোন মাধ্যমে Product
Delivery দেওয়াটা এখনো অনেক নিরাপদ
এবং দ্রুত সময়ে পৌছে দেওয়া যায়? তাদের
Shipping Charge কেমন?
কুরিয়ার: ৫শ গ্রাম ওজনের একটা পন্যেও
জন্য কমপক্ষে ৫০ টাকা নেবে। প্রতি
কেজি কোম্পানী ভেদে ২০ টাকা থেকে
৩০ টাকা পর্যন্ত দাম হয়। তবে এই রেট
ঢাকা শহরের মধ্যে হলে তারা অনেক সময়
কনসিডার করে। আবার কোনো কোনো
এরিয়ার জন্য এই খরচ ৩ থেকে ৫ গুণ
বাড়িয়ে দেয়। যেমন পার্বত্য চট্টগ্রাম,
উত্তরাঞ্চলের রিমোট এরিয়া, কোনো
দ্বীপ ইত্যাদিও ক্ষেত্রে নরমালে ১০০
টাকা হলে তখন এসব এলাকার জন্য ৩০০
টাকা হয়ে যায়।
পার্সেল: পার্সেলে সুবিধা হলো এতে খরচ
কম আর কন্ডিশন ডেলিভারি দেয়া যায়।
আর অসুবিধা হলো এতে হোম ডেলিভারি
হয়না। পার্সেল কোম্পানীর অফিস থেকে
ডেলিভারী নিতে হয়। এক্ষেত্রে
প্রোডাক্টস তাদের স্থানীয় সেন্টারে
গিয়ে পৌছলে তারা গ্রাহককে ফোন
দিয়ে বলে যে আপনার নামে আমাদের
কাছে একটি প্যাকেট এসেছে। আপনি এসে
নিয়ে যান। এক্ষেত্রে যে ফোন নাম্বার
লেখা থোকে সেটা দিয়ে পার্সেল অফিস
যাচাই করে দেখে যে সঠিক গ্রাহক পন্যটা
নিতে আসলো কিনা।
(২০) যদি আমরা কুরিয়ার সার্ভিস
ব্যাবহার করি, তবে কোন কোন কুরিয়ার
সার্ভিসটি সবচেয়ে উপযুক্ত? কুরিয়ার
সার্ভিসগুলোরে মাধ্যমে কি আমরা অন্য
সব সাধারণ লোকদের মতো করেই ঠিকানা
উল্লেখপূর্বক Product পাঠিয়ে দিব, নাকি
কুরিয়ার সার্ভিসগুলোর সাথে আমরা কোন
চুক্তিতে যাব? যদি চুক্তিতে যাই তবে
চুক্তিটা কেমন হবে এবং কিভাবে করবো?
অর্ার কম হলে আপনাকে সাধারণভাবে
দিতে হবে। আর খুববেশী না হলে
কোম্পানী আপনার সাথে চুক্তি করবেনা। আবার আপনার যদি ছোট একটা দোকান
থাকে তাহলে আপনি কুরিয়ার কোম্পানীর
এজেন্ট নিতে পারেন। তাহলে আপনার খরচ
কমে যাবে। এবং আপনার ার্র আপনি
নিজেই আপনার ডেলিভারী সুপারভাইস
করতে পারবেন।  (২১) আমরা কি আমাদের Product Delivery
দেওয়ার ক্ষেত্রে Coustomer দের নিকট
থেতে প্রত্যক্ষভাবে কোন Shipping Charge
নিবো? নাকি এর পুরো ব্যাপারটাই
পরোক্ষভাবে হবে অর্থাৎ, Hide থাকবে
এবং কোন Shipping Charge নেই এই ধরেনের
কথা উল্লেখ করা হবে? আপনি কিভাবে করবেন সেটা আপনার
নিজের ব্যাপার। যদি উপযুক্ত দাম রেখে
দামের ভেতরে ডেলিভারী চার্জ এড করে
নিতে পারেন। তাহলে সবচে ভালো। আর
যদি ডেলিভারী চার্জ আলাদা নেন
তাহলে সেটা কত সেটাও উল্লেখ করে

Comments